মোহনপুর, ৪ ফেব্রুয়ারি : কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার কৃষকদের আর্থসামাজিক অবস্থার মানোন্নয়নে বিভিন্ন প্রকল্প রূপায়ণ করছে। রাজ্যে ফুল চাষকেও জীবিকার উপায় হিসেবে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে রাজ্যে ৫৯ হাজার ১০০ জন কৃষক ফুল চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। বুধবার মোহনপুরে স্বামী বিবেকানন্দ মহাবিদ্যালয় সংলগ্ন বিবেকানন্দ পুষ্প উদ্যানের উদ্বোধন করে কৃষি ও কৃষক কল্যাণ দপ্তরের মন্ত্রী রতনলাল নাথ একথা বলেন।
কৃষি ও কৃষি কল্যাণ দপ্তরের উদ্যোগে প্রায় ১৪ কানি জমিতে এই ফুল বাগানটি তৈরি করা হয়েছে। ব্যয় হয়েছে ১ কোটি ৭৫ লক্ষ টাকা। ফুল বাগানের উদ্বোধন করে কৃষিমন্ত্রী বলেন, আমাদের রাজ্যেও ফুলের চাহিদা বাড়ছে। ত্রিপুরার মাটি ফুল চাষের জন্য অত্যন্ত সহায়ক। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার আসার আগে রাজ্যে ২ হাজার ৪৩৮ কানি জমিতে ফুলের চাষ হতো। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর বর্তমানে ১১ হাজার ৮২০ কানি জমিতে ফুল চাষ হচ্ছে। আগে ২ হাজার ১৯০ জন কৃষক ফুল চাষ করতেন। বর্তমানে ৫৯ হাজার ১০০ জন কৃষক ফুল চাষের জন্য যুক্ত হয়েছেন। আগে ফুল উৎপাদন হতো ১ হাজার ১৭০ মেট্রিকটন। বর্তমানে ২ হাজার ৭০৪ মেট্রিক টন ফুল উৎপাদন হচ্ছে।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, আগে রাজ্যে ফুলের চাহিদার মাত্র ৩৫ শতাংশ রাজ্যে উৎপাদন হতো। বর্তমানে চাহিদার প্রায় ৭৯ শতাংশ ফুল রাজ্যে উৎপাদন হচ্ছে। কৃষিমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন রাজ্যে আরও অনেক কৃষক ফুল চাষের সঙ্গে যুক্ত হয়ে স্বাবলম্বী ও আত্মনির্ভর হবেন।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মোহনপুর পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান রাকেশ দেব, ভাইস চেয়ারম্যান সঞ্জীব কুমার দাস, মোহনপুর পুরপরিষদের চেয়ারপার্সন অনিতা দেবনাথ, ভাইস চেয়ারপার্সন শংকর দেব, পশ্চিম ত্রিপুরা জিলা পরিষদের সদস্য জয়লাল দাস, স্বামী বিবেকানন্দ মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ হারাধন সাহা, মোহনপুর কৃষি তত্ত্বাবধায়ক সৌমিত্র দে, মোহনপুর মহকুমার অতিরিক্ত মহকুমা শাসক ধৃতিশেখর রায়, সমাজসেবী শ্যামল দেবনাথ, কার্তিক আচার্য প্রমুখ।
Felicitation Ceremony : বিধানসভায় সাংবাদিকদের সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠানে রাজ্যপাল


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন