Unakoti Tripura : শ্রী শ্রী কৈবল্যধাম আশ্রমের মোহন্ত মহারাজ ভ্রমণ করলেন শৈব তীর্থ ঊনকোটি, মুগ্ধ হলেন অপরূপ সৌন্দর্যে - ব্রহ্মকুন্ড বার্তা Brahamakundabartaa

ব্রহ্মকুন্ড বার্তা  Brahamakundabartaa

দেশ-বিদেশ ও ত্রিপুরার সব খবরের আপডেট

Post Top Ad

Translate

Unakoti Tripura : শ্রী শ্রী কৈবল্যধাম আশ্রমের মোহন্ত মহারাজ ভ্রমণ করলেন শৈব তীর্থ ঊনকোটি, মুগ্ধ হলেন অপরূপ সৌন্দর্যে

Share This


 আগরতলা, ২২ অক্টোবর : আগরতলায় ধর্মীয় কাজে আগরতলায়  প্রবাসে আছেন বাংলাদেশের শ্রীশ্রী কৈবল্যনাথ ধামের পরম পূজ্যপাদ মোহন্ত মহারাজ শ্রীমৎ কালীপদ ভট্টাচার্য্য । সম্প্রতি তিনি ত্রিপুরার শৈব তীর্থ ঊনকোটি সফর করেন। ভক্তদের সঙ্গে নিয়ে তিনি গোটা ঊনকোটি চত্বর ঘুরে দেখেন । এক একটি মূর্তির সামনে গিয়ে দীর্ঘক্ষণ তাঁকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।


উল্লেখ, ঊনকোটি শব্দের বাংলায় এর অর্থ এককোটি থেকে একটি কম। ত্রিপুরার অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র হল শৈব তীর্থ ঊনকোটি। এই পর্যটন কেন্দ্রটি আগের উত্তর ত্রিপুরা জেলার এবং বর্তমান ঊনকোটি জেলার কৈলাসহরে অবস্থিত। ঊনকোটি ত্রিপুরার রাজধানী আগরতলা থেকে ১৭৮ কি মি দূরত্বে অবস্থিত। কৈলাসহর হতে ৮ কি মি দূরে পাহাড়-জঙ্গল ঘেরা রঘুনন্দন পাহাড়ে অবস্থিত ঊনকোটি।




শ্রী শ্রী কৈবল্যধাম আশ্রমের মোহন্ত মহারাজের ‌ঊনকোটি সফরের পর, তাঁদের নিজস্ব সামাজিক মাধ্যমে তুলে ধরা হয় ঊনকোটির ধর্মীয় ব্যাখ্যা । এতে বলা হয়, হিন্দু পুরানের এই নামকরণের কাহিনীতে কথিত আছে যে কালু কামার নামে একজন স্থাপত্যকার ছিলেন, সেই সাথে দেবী পার্বতীর ভক্ত ছিলেন। একবার দেবী-মহাদেবের সাথে কৈলাসে যাচ্ছিলেন তখন কালু কামার বায়না ধরলেন তাকে যেন তাদের সঙ্গে নেন। তখন মহাদেব উনার উপর শর্ত আরোপ করে বলেন উনি যেতে পারেন তবে তার জন্য তাকে এক রাত্রির মধ্যে এককোটি দেবদেবীর মূর্তি তৈরী করে দিতে হবে। কিন্তু কালু কামার এককোটি থেকে একটি কম মানে ঊনকোটি টি মূর্তি তৈরী করে দিতে সক্ষম হন।


ঊনকোটির মুর্তিগুলি নিয়ে একাধিক কাহিনি প্রচলিত আছে, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য আর একটি কাহিনি আছে, যার কেন্দ্রীয় চরিত্র হল মহাদেব। দেবাদিদেব শিব একবার দেবতাদের নিয়ে ত্রিপুরার উপর দিয়ে বারানসী যাচ্ছিলেন।  মহাদেবকে নিয়ে দেবতাদের সংখ্যা ছিল এক কোটি। সন্ধ্যে নামার পর রাত্রিবাসের ব্যবস্থা হয় এই রঘুনন্দন পাহাড়ে। পথপরিশ্রমে ক্লান্ত দেবতারা গভীর নিদ্রায় অচেতন হলেন। পরেরদিন সূর্যোদয় হওয়ার আগে সবার বারানসীর উদ্দেশে যাত্রা করার কথা, কিন্তু মহাদেব ছাড়া অন্য কোনো দেবতাদের নিদ্রাভঙ্গ হল না। মহাদেব বিরক্ত হয়ে একাই বারানসীর উদ্দেশে রওনা দিলেন। গভীর নিদ্রায় সমাধিস্থ দেবতাদের কালনিদ্রা আর ভাঙ্গল না এবং তারা অনন্তকালের জন্য পাথর হয়ে রইলেন। এই দেবতাদের সংখ্যা ছিল এক কম কোটি তাই ঊনকোটি। সেই থেকেই এই রঘুনন্দন পাহাড় হয়ে গেল শৈবতীর্থ ঊনকোটি। 




কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Post Bottom Ad