আগরতলা, ০৭ সেপ্টেম্বর : রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় পরপর নেশা বিরোধী অভিযান চালিয়ে বড়সড় সাফল্য পাচ্ছে পুলিশ ও জিআরপি। মাদক ও চোরাচালানের বিরুদ্ধে চলা বিশেষ তৎপরতায় একদিকে যেমন বিপুল পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার হচ্ছে, অন্যদিকে বিদেশি সিগারেটের বিরাট চালানও জব্দ করা হচ্ছে। রবিবার আগরতলা রেলস্টেশনের প্ল্যাটফর্ম এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে জিআরপি পুলিশ আটক করে দুই মহিলাকে। ধৃতদের নাম সুশমা কুমারী ও সোমা কুমারী, দুজনেই বিহারের নালন্দা জেলার বাসিন্দা। তারা সন্তানদের সঙ্গে যাত্রা করছিলেন। তল্লাশির সময় তাদের কাছ থেকে একটি হ্যান্ডব্যাগ ও একটি পিঠু ব্যাগ উদ্ধার হয়। তার ভেতরে লুকানো ছিল মোট ৮.৮৪০ কেজি গাঁজা। কালোবাজারে যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ১.৭ লক্ষ টাকা। ঘটনায় আগরতলা জিআরপি থানায় এনডিপিএস অ্যাক্টের অধীনে মামলা রুজু হয়েছে।
উল্লেখ্য একই রকম কায়দায় গত মাসের ২৮ তারিখে ধর্মনগর থানার অন্তর্গত নাকা পয়েন্টে নিয়মিত যানবাহন তল্লাশির সময় পুলিশ একটি বোলেরো পিক-আপ (নং TR 05J 1919) আটক করে। গাড়ির ভেতর থেকে পাওয়া যায় মোট ১২৯ কার্টুন বিদেশি/বার্মিজ সিগারেট। প্রতিটি কার্টুনে ছিল ১০,০০০ করে সিগারেট। উদ্ধার হওয়া সিগারেটের বাজারমূল্য আনুমানিক ৭০ লক্ষ টাকা। তবে গাড়ির চালক পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। এই ঘটনায় BNSS আইনের ১০৬ ধারায় মামলা রুজু হয়েছে।
অন্যদিকে একই দিনে চুরাইবাড়ি থানার পুলিশও নেশা বিরোধী সফল অভিযান চালায়। নিয়মিত যানবাহন তল্লাশির সময় এক গাড়ি আটক করে তারা। গাড়ি থেকে উদ্ধার হয় প্রায় ২৬ কেজি ২০০ গ্রাম গাঁজা, যার বাজারমূল্য প্রায় ৬ লক্ষ টাকা। এই ঘটনায় গাড়ির চালককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং এনডিপিএস আইনে মামলা দায়ের হয়েছে।
অভিযোগ, সীমান্তবর্তী অঞ্চল দিয়ে গাঁজা ও সিগারেটের চোরাচালান বাড়ছে। তবে পুলিশের পরপর সাফল্য প্রমাণ করছে প্রশাসন কঠোর অবস্থান নিয়েছে। ধারাবাহিক অভিযানে একদিকে যেমন পাচার চক্রের বড়সড় ক্ষতি হচ্ছে, অন্যদিকে আইনশৃঙ্খলার ওপর বাড়ছে মানুষের আস্থা।
Flood Relief : হিমাচল প্রদেশে বন্যাদুর্গতদের সহায়তায় ৫ কোটি দিলো ত্রিপুরা


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন