G RAM G Bill : রাষ্ট্রপতির সম্মতি পেল বিকশিত ভারত—রোজগার ও জীবিকা নিশ্চয়তা মিশন (গ্রামীণ) আইন, ২০২৫ - ব্রহ্মকুন্ড বার্তা Brahamakundabartaa

ব্রহ্মকুন্ড বার্তা  Brahamakundabartaa

দেশ-বিদেশ ও ত্রিপুরার সব খবরের আপডেট

Post Top Ad

Translate

G RAM G Bill : রাষ্ট্রপতির সম্মতি পেল বিকশিত ভারত—রোজগার ও জীবিকা নিশ্চয়তা মিশন (গ্রামীণ) আইন, ২০২৫

Share This

 


নয়াদিল্লি, ২১ ডিসেম্বর : ভারতের রাষ্ট্রপতি বিকশিত ভারত—রোজগার ও জীবিকা নিশ্চয়তা মিশন (গ্রামীণ) আইন, ২০২৫-এ সম্মতি দিয়েছেন। এই আইনের মাধ্যমে দেশের গ্রামীণ কর্মসংস্থান ব্যবস্থায় একটি যুগান্তকারী পরিবর্তনের সূচনা হলো। নতুন আইন অনুযায়ী গ্রামীণ পরিবারগুলির জন্য প্রতি আর্থিক বছরে বিধিবদ্ধ মজুরিভিত্তিক কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা ১০০ দিন থেকে বাড়িয়ে ১২৫ দিন করা হয়েছে।


এর আগে সংসদে পাশ হওয়া এই আইনটি ২০০৫ সালের মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা আইন (MGNREGA)-এর স্থলাভিষিক্ত হলো। বিকশিত ভারত @২০৪৭-এর জাতীয় লক্ষ্যকে সামনে রেখে এই আইন গ্রামীণ কর্মসংস্থানকে কেবল কল্যাণমূলক উদ্যোগ নয়, বরং টেকসই উন্নয়নের একটি সমন্বিত হাতিয়ার হিসেবে গড়ে তুলতে চায়।


আইনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো সময়মতো মজুরি প্রদান। কাজ শেষ হওয়ার সর্বোচ্চ ১৫ দিনের মধ্যে অথবা সাপ্তাহিক ভিত্তিতে মজুরি প্রদানের বাধ্যবাধকতা রাখা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মজুরি না পেলে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। পাশাপাশি, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ না দিলে বেকার ভাতা প্রদানের বিধান পুনরায় কার্যকর করা হয়েছে।


কৃষি ও গ্রামীণ শ্রমের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে রাজ্য সরকারগুলিকে ফসল কাটার ও রোপণের ভরা মৌসুমে সর্বোচ্চ ৬০ দিন পর্যন্ত সাময়িক বিরতি ঘোষণার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে, যদিও ১২৫ দিনের কর্মসংস্থানের অধিকার অক্ষুণ্ণ থাকবে।


এই আইনের অধীনে কর্মসংস্থানকে জল নিরাপত্তা, গ্রামীণ পরিকাঠামো, জীবিকা-সম্পর্কিত পরিকাঠামো এবং চরম আবহাওয়া মোকাবিলায় সহায়ক কাজের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে।পরিকল্পনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে বিকশিত গ্রাম পঞ্চায়েত পরিকল্পনা, যা গ্রামসভা অনুমোদিত এবং জাতীয় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে সংযুক্ত থাকবে। অর্থায়নের ক্ষেত্রে কেন্দ্র ও রাজ্যের ব্যয় ভাগাভাগি ৬০:৪০ অনুপাতে নির্ধারিত হয়েছে, উত্তর-পূর্ব ও হিমালয় রাজ্যগুলির জন্য ৯০:১০। প্রশাসনিক সক্ষমতা বাড়াতে প্রশাসনিক ব্যয়ের ঊর্ধ্বসীমা ৯ শতাংশে উন্নীত করা হয়েছে।


সামগ্রিকভাবে, এই আইন গ্রামীণ কর্মসংস্থানকে অধিকতর নিরাপদ, স্বচ্ছ ও উৎপাদনশীল করে তুলে একটি সমৃদ্ধ ও আত্মনির্ভরশীল গ্রামীণ ভারত গঠনের পথে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।






কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Post Bottom Ad