নতুন দিল্লি, ২৫ মার্চ : কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা, সংশোধিত উড়ান প্রকল্পের জন্য’ও ২৮ হাজার ৮৪০ কোটি টাকা অনুমোদন করেছে। এর ফলে আকাশপথে আঞ্চলিক সংযোগ এবং প্রত্যন্ত এলাকায় যোগাযোগ উন্নত করা সম্ভবপর হবে। ২০৩০ থেকে ৩৫ সালের জন্য পরিবেশ ক্ষেত্রে ভারতের লক্ষ্যমাত্রা সম্প্রসারিত করার বিষয়টি’ও ছাড়পত্র পেয়েছে মন্ত্রিসভার বৈঠকে।
কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা, ডিজিট্যাল প্রশাসন, সংযোগ ও জলবায়ু সংক্রান্ত বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। ভিসা, ইমিগ্রেশন ও ফরেনার ট্র্যাকিং সার্ভিস, পুরোপুরি ডিজিট্যাল করে তুলতে IVFRT তৃতীয় পর্যায়ের জন্য এক হাজার ৮০০ কোটি টাকা অনুমোদন করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের আওতাধীন এই প্রকল্পে, কৃত্রিম মেধা বা এআই, মুখমন্ডলের ছবি এবং চোখের মণির চিত্রের ব্যবহার ভিত্তিক প্রযুক্তি প্রয়োগ করে মৌলিক পরিকাঠামোগুলি অত্যাধুনিক করে তোলা হবে।
কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে, যা দেশের আঞ্চলিক সংযোগ, ডিজিট্যাল প্রশাসন এবং পরিবেশ সংরক্ষণে নতুন দিশা দেখাবে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব অভিমত ব্যক্ত করেন।
বুধবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানান, বৈঠকে সংশোধিত উড়ান প্রকল্প-এর জন্য ২৮ হাজার ৮৪০ কোটি টাকার বিপুল বরাদ্দ অনুমোদন করা হয়েছে। এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য দেশের বিভিন্ন প্রান্তিক ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে আকাশপথে যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করা। এর ফলে ছোট শহর ও গ্রামীণ এলাকার মানুষ সহজেই বিমান পরিষেবার আওতায় আসবে এবং আঞ্চলিক অর্থনীতিতেও গতি আসবে বলে মনে করা হচ্ছে।
একই সঙ্গে পরিবেশ সংরক্ষণে ভারতের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য নির্ধারণেও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ২০৩০ থেকে ২০৩৫ সাল পর্যন্ত পরিবেশগত উন্নয়ন ও জলবায়ু মোকাবিলার লক্ষ্যমাত্রা সম্প্রসারণের প্রস্তাবে মন্ত্রিসভা ছাড়পত্র দিয়েছে। এতে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ভারতের প্রতিশ্রুতি আরও জোরদার হবে।
ডিজিট্যাল প্রশাসনের ক্ষেত্রেও বড় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। IVFRT তৃতীয় পর্যায় প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য ১ হাজার ৮০০ কোটি টাকা অনুমোদন করেছে কেন্দ্র। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অধীনে পরিচালিত এই প্রকল্পের মাধ্যমে ভিসা, ইমিগ্রেশন এবং বিদেশি নাগরিকদের ট্র্যাকিং ব্যবস্থা সম্পূর্ণভাবে ডিজিট্যাল করা হবে।
এই প্রকল্পে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি যেমন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), মুখমণ্ডল শনাক্তকরণ এবং চোখের মণির বায়োমেট্রিক তথ্য ব্যবহারের মাধ্যমে নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক দক্ষতা বাড়ানো হবে। এর ফলে সীমান্ত নিরাপত্তা আরও মজবুত হবে এবং বিদেশি নাগরিকদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ সহজতর হবে।
সামগ্রিকভাবে, কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার এই সিদ্ধান্তগুলি দেশের অবকাঠামো উন্নয়ন, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি এবং পরিবেশ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করা হচ্ছে।


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন