Mukhyamantri Samipeshu : ৬৬তম পর্বে ধলাই জেলার মানুষের আর্জি শুনলেন মুখ্যমন্ত্রী, এখন থেকে ভার্চুয়াল মাধ্যমেই যুক্ত হবে জেলার সাহায্য প্রার্থী - ব্রহ্মকুন্ড বার্তা Brahamakundabartaa

ব্রহ্মকুন্ড বার্তা  Brahamakundabartaa

দেশ-বিদেশ ও ত্রিপুরার সব খবরের আপডেট

Post Top Ad

Translate

Mukhyamantri Samipeshu : ৬৬তম পর্বে ধলাই জেলার মানুষের আর্জি শুনলেন মুখ্যমন্ত্রী, এখন থেকে ভার্চুয়াল মাধ্যমেই যুক্ত হবে জেলার সাহায্য প্রার্থী

Share This

 


আগরতলা, ২০ মে :
রাজ্যের সাধারণ মানুষের সমস্যা সরাসরি শুনে দ্রুত সমাধানের লক্ষ্যে পরিচালিত ‘মুখ্যমন্ত্রী সমীপেষু’ কর্মসূচি এবার ভার্চুয়াল মাধ্যমের মাধ্যমে আরও কার্যকর হয়ে উঠেছে। এই উদ্যোগের ফলে প্রত্যন্ত এলাকার মানুষও নিজ নিজ জেলা থেকেই মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তাদের সমস্যা তুলে ধরার সুযোগ পাচ্ছেন।

সম্প্রতি ধলাই জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রায় ৩৫ জন নাগরিক ভার্চুয়াল মাধ্যমে এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করে তাঁদের নানা সমস্যা তুলে ধরেন। এদিন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা ধৈর্য সহকারে সকলের বক্তব্য শোনেন এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আধিকারিকদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।


ডম্বুরনগর আরডি ব্লকের চন্দ্র কুমার পাড়ার বাসিন্দা এক জনজাতি প্রবীণ মহিলা দীর্ঘ ১০ বছর ধরে চর্মরোগে ভুগছিলেন। তাঁর আবেদনের প্রেক্ষিতে মুখ্যমন্ত্রী ধলাই জেলার জেলাশাসক ও স্বাস্থ্য দপ্তরকে নির্দেশ দেন যাতে তাঁকে দ্রুত আগরতলা সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়।


এছাড়াও কৃষিজ ফসলের ক্ষতিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে একাধিক কৃষক তাঁদের সমস্যার কথা তুলে ধরেন। তাঁদের অভিযোগ শুনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে প্যারালাইসিসে আক্রান্ত এক মহিলার চিকিৎসা, বিধবা ভাতা ও জীবিকার বিষয়ে সহায়তার আশ্বাস দেওয়া হয়।


ডম্বুরনগর ব্লকের ওল্ড ভগীরথ পাড়ার বাসিন্দারা তাঁদের এলাকায় পরিশ্রুত পানীয় জল, বিদ্যুৎ সংযোগ, আইসিডিএস সেন্টার ও হাই স্কুল স্থাপনের দাবি জানান। মুখ্যমন্ত্রী এই বিষয়গুলিও গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেন।


চিকিৎসা সংক্রান্ত সমস্যাই এদিনের কর্মসূচিতে অধিকাংশ ক্ষেত্রে উঠে আসে। একাধিক পরিবার শিশুদের চিকিৎসা, আর্থিক সহায়তা ও স্বাস্থ্য পরিষেবার জন্য আবেদন জানান। বিশেষ করে, একটি পরিবারের কাছে আয়ুষ্মান কার্ড না থাকায় চিকিৎসায় সমস্যা হওয়ায় দ্রুত কার্ড তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়।


এছাড়াও দুর্ঘটনাগ্রস্ত শ্রমিক, অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক, প্রতিবন্ধী নাগরিক ও আর্থিক সংকটে থাকা পরিবারগুলির আবেদনও শোনা হয়। সকল ক্ষেত্রেই দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। উচ্চমাধ্যমিকে ৯০.২ শতাংশ নম্বরপ্রাপ্ত এক ছাত্র আর্থিক সমস্যার কারণে উচ্চশিক্ষায় বাধার সম্মুখীন হওয়ায় তাঁর জন্য বিশেষ সহায়তার ব্যবস্থাও গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


এদিনের কর্মসূচিতে স্বাস্থ্য দপ্তরের সচিব কিরণ গিত্যে সহ বিভিন্ন দপ্তরের সচিব, অধিকর্তা ও আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন।
‘মুখ্যমন্ত্রী সমীপেষু’ কর্মসূচি রাজ্যের সাধারণ মানুষের কাছে প্রশাসনের দ্বারকে আরও উন্মুক্ত করে তুলেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।





Village Election : ভিলেজ কমিটি নির্বাচনের লক্ষ্যে ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশিত

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Post Bottom Ad