নতুন দিল্লি, ২০ মার্চ : ভারতের নির্বাচন কমিশন (ইসি) আসন্ন বিধানসভা ও বিভিন্ন রাজ্যে উপনির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের জন্য একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশিকা জারি করেছে। শুক্রবার প্রকাশিত এক প্রেস নোটে কমিশন জানিয়েছে, সব ধরনের রাজনৈতিক বিজ্ঞাপন প্রচারের আগে বাধ্যতামূলকভাবে প্রি-সার্টিফিকেশন নিতে হবে।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, টিভি, রেডিও, ই-পেপার, এসএমএস, ভয়েস মেসেজ এবং সোশ্যাল মিডিয়া—সব ক্ষেত্রেই বিজ্ঞাপন প্রকাশের আগে মিডিয়া সার্টিফিকেশন অ্যান্ড মনিটরিং কমিটি (MCMC)-র অনুমোদন নিতে হবে। এই নিয়ম না মানলে কোনও রাজনৈতিক বিজ্ঞাপন প্রকাশ করা যাবে না।
প্রেস নোটে আরও বলা হয়েছে, প্রতিটি প্রার্থীকে মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় তাদের আসল (অথেনটিক) সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টের বিস্তারিত তথ্য হলফনামায় উল্লেখ করতে হবে। এর মাধ্যমে ভুয়ো তথ্য, বিভ্রান্তিকর প্রচার ও ফেক নিউজ নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হবে বলে কমিশনের মত।
জেলা ও রাজ্য স্তরে এমসিএমসি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কোনও সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট হলে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (CEO) নেতৃত্বাধীন আপিল কমিটির কাছে আবেদন করা যাবে।
এছাড়াও, Representation of the People Act, 1951 অনুযায়ী এবং Supreme Court of India-এর নির্দেশ মেনে, রাজনৈতিক দলগুলিকে নির্বাচনী প্রচারে ইন্টারনেট ও সোশ্যাল মিডিয়ায় যে ব্যয় করা হবে, তার পূর্ণাঙ্গ হিসাব নির্বাচন শেষের ৭৫ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে। কমিশন আরও জানিয়েছে, এমসিএমসি কমিটি মিডিয়ায় পেইড নিউজের সন্দেহজনক ঘটনাগুলির উপর কড়া নজরদারি চালাবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
উল্লেখ্য, ভুয়ো খবর ও বিভ্রান্তিকর তথ্য রোধে ১৯ মার্চ বিভিন্ন রাজ্যের প্রশাসনিক আধিকারিক ও সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ রাখতে এই পদক্ষেপগুলি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
By Election : ৫৬- ধর্মনগর উপনির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী জহর চক্রবর্তী


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন