Industries and Commerce : শিল্পমন্ত্রীর হাত ধরে উদ্বোধন হলো "ত্রিপুরা নারী উদ্যোক্তা নীতি" - ব্রহ্মকুন্ড বার্তা Brahamakundabartaa

ব্রহ্মকুন্ড বার্তা  Brahamakundabartaa

দেশ-বিদেশ ও ত্রিপুরার সব খবরের আপডেট

Post Top Ad

Translate

Industries and Commerce : শিল্পমন্ত্রীর হাত ধরে উদ্বোধন হলো "ত্রিপুরা নারী উদ্যোক্তা নীতি"

Share This

 


আগরতলা, ১২ মার্চ : রাজ্যের নারী শক্তিকে স্বনির্ভর ও অর্থনৈতিকভাবে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ত্রিপুরা সরকার আজ আনুষ্ঠানিকভাবে 'ত্রিপুরা নারী উদ্যোক্তা নীতি ২০২৫-২০৩০' চালু করেছে। আগরতলার প্রজ্ঞা ভবনে বৃহস্পতিবার সকালে আয়োজিত এক রাজ্যস্তরীয় অনুষ্ঠানে এই নীতির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়। শিল্প ও বাণিজ্য দপ্তরের মন্ত্রী সান্ত্বনা চাকমা এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শিল্প ও বাণিজ্য দপ্তরের সচিব কিরণ গিত্যে, দপ্তরের অধিকর্তা দীপক কুমার, টি.আই.বি.এল.-এর চেয়ারম্যান সমীর রঞ্জন ঘোষ, এস.এল.বি.সি.-এর কনভেনার ঋতুরাজ কৃষ্ণ সহ দপ্তরের পদস্থ আধিকারিকগণ, বিভিন্ন ব্যাংকের প্রতিনিধিগণ, স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সদস্যা এবং নারী উদ্যোক্তাগণ। 


উল্লেখ্য ত্রিপুরা নারী উদ্যোক্তা নীতির মূল লক্ষ্য হলো রাজ্যের নারী উদ্যোক্তাদের জন্য একটি সহায়ক ও উন্নয়নমুখী পরিবেশ তৈরি করা। বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের সঙ্গে যুক্ত মহিলাদের আধুনিক প্রযুক্তি, বাজার সংযোগ এবং প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তার সঙ্গে যুক্ত করে দীর্ঘমেয়াদি ব্যবসায়িক সম্ভাবনা তৈরি করা।


নারী উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করতে সরকার বেশ কিছু আকর্ষণীয় আর্থিক সুবিধা ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো টি.আই.পি.আই.এস.-এর অধীনে ৩০ শতাংশ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত ক্যাপিটাল ইনভেস্টমেন্ট সাবসিডি, 'স্বাবলম্বন' প্রকল্পের অধীনে ৩৫ শতাংশ পর্যন্ত প্রজেক্ট কস্ট সাবসিডি এবং ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল লোনের সুদে বিশেষ ছাড়। এছাড়াও ব্যবসার লাইসেন্স ও রেজিস্ট্রেশন ফি বাবদ ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত রিএম্বার্সমেন্ট, বিভিন্ন মেলা ও প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণের সুযোগ, ডিজিটাল লিটারেসি, মেন্টরিং এবং ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে পণ্য বিপণনে সহায়তা প্রদান করা হবে।


অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শিল্প ও বাণিজ্য দপ্তরের মন্ত্রী সান্ত্বনা চাকমা বলেন, 'ত্রিপুরা উইম্যান এন্ট্রাপ্রেনারশিপ পলিসি ২০২৫-২০৩০' এবং রাজ্যভিত্তিক পি.এম.এফ.এম.ই. স্কিম রাজ্যের মহিলাদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তোলা এবং তাদের সফল উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। এই নীতির মাধ্যমে গ্রামীণ ও শহরাঞ্চলের মহিলাদের ব্যবসা সম্প্রসারণ এবং আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধির নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে। তিনি আরও বলেন, এই নীতির মূল উদ্দেশ্য হলো রাজ্য ও কেন্দ্র সরকারের 'আত্মনির্ভর ভারত' এবং 'আত্মনির্ভর ত্রিপুরা' গঠনের লক্ষ্যকে বাস্তবে রূপ দেওয়া। কৃষি, হস্তশিল্প এবং ক্ষুদ্র ব্যবসার মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে ত্রিপুরার মহিলারা ইতিমধ্যেই দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন এবং এই নীতি তাদের ব্যবসায়িক অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।


শিল্পমন্ত্রী জানান, মহিলাদের স্বাবলম্বী করতে সরকার বিভিন্ন ক্ষেত্রে ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণের সুবিধা নিশ্চিত করেছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ২০১৮ সালের তুলনায় বর্তমানে রাজ্যে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং বর্তমানে প্রায় ৫ লক্ষেরও বেশি মহিলা স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। পাশাপাশি রাজ্যে সফল নারী উদ্যোক্তার সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে ১ লক্ষ ৮ হাজারেরও বেশি 'লাখপতি দিদি' তৈরি হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা-র নেতৃত্বে এই নতুন নীতি রাজ্যের নারী শক্তিকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে। অনুষ্ঠানে শিল্প ও বাণিজ্য দপ্তরের পক্ষ থেকে বিভিন্ন উদ্যোক্তার হাতে সম্মাননা ও পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।




Suprime Court of India : সুপ্রিম কোর্টের নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত, ১৩ বছর ধরে সংজ্ঞাহীন ছেলের ইচ্ছা মৃত্যুর অনুমতি

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Post Bottom Ad