আগরতলা, ৬ মার্চ : দেশের অন্যান্য অংশের সঙ্গে রাজ্যেও দুটি পর্যায়ে জনগণনা করা হবে। এই বিষয়টি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে শুক্রবার সচিবালয়ের কনফারেন্স হলে স্টেট লেভেল সেনসাস কো-অর্ডিনেশন কমিটির (এস.এল.সি.সি.) এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। মুখ্যসচিব জে.কে. সিনহার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় অর্থ দপ্তরের সচিব অপূর্ব রায়, নগরোন্নয়ন দপ্তরের সচিব মিলিন্দ রামটেকে, পঞ্চায়েত দপ্তরের সচিব অভিষেক সিং, উচ্চশিক্ষা দপ্তরের সচিব রাভেল হেমেন্দ্র কুমার, সমাজকল্যাণ দপ্তরের বিশেষ সচিব তথা অধিকর্তা তপন কুমার দাস, তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের অধিকর্তা বিম্বিসার ভট্টাচার্য এবং বিভিন্ন দপ্তরের পদস্থ আধিকারিকগণ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় পরিকল্পনা ও পরিসংখ্যান দপ্তরের সচিব তথা স্টেট সেনসাসের নোডাল অফিসার এল.টি. ডার্লং প্রারম্ভিক বক্তব্যে জনগণনার গুরুত্ব এবং কর্মসূচি তুলে ধরেন। বৈঠকে সেনসাস দপ্তরের অধিকর্তা রতন বিশ্বাস জনগণনার বিস্তৃত কর্মসূচি সবার সামনে তুলে ধরেন। তিনি জানান, রাজ্যে দুটি পর্যায়ে জনগণনা করা হবে। প্রথম ধাপে হবে আবাসন গণনা ও বাড়ির তালিকা প্রণয়ন। দ্বিতীয় ধাপে হবে জনসংখ্যা গণনা।
নোডাল অফিসার জানান, ২০২৬ সালের ১৭ জুলাই থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত হবে সেলফ এনুমারেশন এবং এ বছরেরই ১ আগস্ট থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত প্রথম পর্যায়ে হবে আবাসন গণনা ও বাড়ির তালিকা প্রণয়নের কাজ। দ্বিতীয় ধাপে ২০২৭সালের ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত হবে জনসংখ্যা গণনার কাজ।
সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যসচিব জে.কে. সিনহা জনগণনার কাজ অত্যন্ত গুরুত্ব সহ করার জন্য আধিকারিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। জনগণনার সমস্ত প্রস্তুতি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শেষ করার উপর তিনি গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি বলেন, এই গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি সম্পন্ন করার জন্য রাজ্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহায়তা করা হবে। বৈঠকে বিভিন্ন জেলার জেলাশাসক ও অতিরিক্ত জেলাশাসকগণ ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন এবং জেলার প্রস্তুতি তারা তুলে ধরেন।
Health Care : এজি.এমসি ও জি.বিপি হাসপাতালে ৩টি নতুন স্বাস্থ্য পরিষেবার সুচনা করলেন মুখ্যমন্ত্রী


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন