Health Care : ত্রিপুরায় আধুনিক চক্ষু চিকিৎসায় নতুন দিগন্ত, ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত আগরতলা সরকারি চক্ষু হাসপাতালের - ব্রহ্মকুন্ড বার্তা Brahamakundabartaa

ব্রহ্মকুন্ড বার্তা  Brahamakundabartaa

দেশ-বিদেশ ও ত্রিপুরার সব খবরের আপডেট

Post Top Ad

Translate

Health Care : ত্রিপুরায় আধুনিক চক্ষু চিকিৎসায় নতুন দিগন্ত, ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত আগরতলা সরকারি চক্ষু হাসপাতালের

Share This

 


আগরতলা, ১৪ আগস্ট : রাজ্যের মানুষের জন্য উন্নত ও বিশেষায়িত চক্ষু চিকিৎসা পরিষেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আগরতলায় গড়ে উঠতে চলেছে ১০০ শয্যাবিশিষ্ট আধুনিক সরকারি চক্ষু হাসপাতাল। শুক্রবার ক্যাপিটাল কমপ্লেক্সে আগরতলা সরকারি চক্ষু হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা। একই অনুষ্ঠানে রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায় ইন্টিগ্রেটেড হেলথ ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম (আইএইচএমআইএস)-এরও আনুষ্ঠানিক সূচনা করা হয়।


অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এতদিন চোখের জটিল রোগের উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজ্যের বহু মানুষকে বহিরাজ্যে যেতে হতো। সেই পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটিয়ে ত্রিপুরাতেই উন্নতমানের টার্শিয়ারি আই হসপিটাল গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে এই হাসপাতালকে শুধু ত্রিপুরার মানুষের জন্য নয়, সমগ্র উত্তর-পূর্ব ভারতের একটি আধুনিক সেন্টার অব এক্সিলেন্স ইন অপথালমোলজি হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।


মুখ্যমন্ত্রী জানান, হাসপাতালে আধুনিক বায়োমেডিক্যাল আই-টেকনোলজি, উন্নত রোগ নির্ণয় ব্যবস্থা এবং অত্যাধুনিক অস্ত্রোপচার পরিষেবা থাকবে। অপারেশন থিয়েটারের পাশাপাশি শিশুদের জটিল ও জন্মগত চক্ষুরোগের চিকিৎসারও বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হবে। হাসপাতাল ভবিষ্যতে সম্প্রসারণের সুযোগ রেখেই নির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি এটিকে আগরতলা গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ ও জিবিপি হাসপাতালের চিকিৎসা, শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও গবেষণা ব্যবস্থার অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।


স্বাস্থ্য সচিব কিরণ গিত্যে জানান, হাসপাতালে আধুনিক লেজার প্রযুক্তিতে ছানি অস্ত্রোপচার, কর্নিয়া প্রতিস্থাপন, ডায়াবেটিক রেটিনা, গ্লুকোমা, শিশুদের জন্মগত চক্ষু সমস্যা, অকিউলোপ্লাস্টি ও নিউরো-অফথালমোলজির মতো বিশেষায়িত পরিষেবা থাকবে। সাধারণ চক্ষুরোগ থেকে জটিল রোগের চিকিৎসা একই প্রতিষ্ঠানে দেওয়ার লক্ষ্যেই এই পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।


এদিন আইএইচএমআইএস-এর মাধ্যমে স্বাস্থ্য পরিষেবাকে আরও সমন্বিত, স্বচ্ছ ও প্রযুক্তিনির্ভর করার উদ্যোগেরও সূচনা হয়। হেলথ কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টারের সঙ্গে এই ব্যবস্থা যুক্ত থাকায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের পরিষেবা সম্পর্কে রিয়েল-টাইম তথ্য পাওয়া এবং ড্যাশবোর্ডের মাধ্যমে নজরদারি করা সম্ভব হবে।


অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর অগ্রগতির বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তিনি জানান, এজিএমসি ও জিবিপি হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা ৭২৭ থেকে বেড়ে ১,৪১৩ হয়েছে। রাজ্যে ইতিমধ্যে নয়টি কিডনি প্রতিস্থাপন সফল হয়েছে এবং ভবিষ্যতে হার্ট ও লিভার প্রতিস্থাপন পরিষেবা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। স্বাস্থ্য পরিষেবার ডিজিটাল ব্যবস্থার পাশাপাশি চিকিৎসা শিক্ষা সম্প্রসারণেও সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে।


মুখ্যমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, আগরতলা সরকারি চক্ষু হাসপাতাল চালু হলে রাজ্যের মানুষের উন্নত চক্ষু চিকিৎসার ক্ষেত্রে বহিরাজ্য নির্ভরতা আরও কমবে এবং ত্রিপুরার স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে উঠবে।





Financial : কর্মচারী স্বার্থে রাজ্য সরকারের পদক্ষেপ শুরু ! বেতন বৈষম্য দূরীকরণের লক্ষ্যে নেওয়া হলো পদক্ষেপ


কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Post Bottom Ad