আগরতলা, ১৬ অক্টোবর : ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সীমান্তে অনুপ্রবেশের অভিযোগকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়াল আশাবাড়ি সীমান্ত এলাকায়। রাতের অন্ধকারে আন্তর্জাতিক সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতের ভূখণ্ডে প্রবেশের অভিযোগে বাংলাদেশের দুই পুলিশ সদস্যকে আটক করার ঘটনা সামনে এসেছে। পরে বিএসএফের উদ্যোগে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মধ্যে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তাঁদের বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের হাতে হস্তান্তর করা হয় বলে জানা গেছে।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া থানার শশীদল ইউনিয়নের আশাবাড়ি সীমান্তের ২০৫৯ নম্বর সীমান্ত পিলার সংলগ্ন এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। অভিযোগ, বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টা নাগাদ রাত্রিকালীন টহল চলাকালীন ব্রাহ্মণপাড়া থানার এএসআই ইমরান হোসেন এবং কনস্টেবল রোহিত দেওয়ান সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতের আশাবাড়ি সীমান্তের ১৬৭ ও ১৬৮ নম্বর গেট সংলগ্ন এলাকায় প্রবেশ করেন। তাঁদের উপস্থিতি স্থানীয় বাসিন্দাদের নজরে আসার পর ঘটনাটি নিয়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে বিএসএফের সদস্যরা তৎপর হন। সূত্রের দাবি, দুই পুলিশ সদস্যকে বিএসএফের হেফাজতে নিয়ে আশাবাড়ি বিওপিতে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। শুক্রবার দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মধ্যে যোগাযোগের পর পতাকা বৈঠকের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে, বিএসএফের ৪৯ নম্বর ব্যাটালিয়নের উদ্যোগে রহিমপুর কাটামুড়া বিওপি থেকে রহিমপুর সীমান্তের ১৬৩ নম্বর গেট ও ২০৫৭ নম্বর সীমান্ত পিলারের জিরো পয়েন্টে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী, পুলিশ এবং গোয়েন্দা বিভাগের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে। আলোচনার পর দুই বাংলাদেশি পুলিশ সদস্যকে বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের হাতে হস্তান্তর করা হয়।
দুই পুলিশ সদস্য কী কারণে আন্তর্জাতিক সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতের ভূখণ্ডে প্রবেশ করেছিলেন, তাঁদের সঙ্গে কোনও নিষিদ্ধ সামগ্রী ছিল কি না এবং ঘটনার নেপথ্যে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। সীমান্ত এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে নিরাপত্তা ও নজরদারি নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে।
Durga puja : দুর্গাপূজায় আগরতলায় যান চলাচলে বিশেষ বিধিনিষেধ, ১৭ থেকে ২১ অক্টোবর নো-এন্ট্রি জোন ঘোষণা


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন