আগরতলা, ১৩ জুলাই : আসছে উৎসবের মরসুম, এর মধ্যেই আনন্দ পিয়াসীদের ভ্রুকুটি দেখাচ্ছে কোভিড । রাজ্যের প্রতিদিন বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। মঙ্গলবার সবার কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলে দিয়ে কোভিড পজিটিভের সংখ্যা এক লাফে শতক ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যেই মঙ্গলবার শঙ্কা অনেকটা বাড়িয়ে দিয়ে দেড় শতক ছাড়ালো করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। বুধবার একদিনে রাজ্যে কোরোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ায় ১৭৬ জনে।
ইতিমধ্যেই রাজ্যে ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথিরিটির পক্ষ থেকে কোভিড বিধি মেনে চলার ব্যাপারে মাস্ক পড়ার ব্যাপারে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে । দুয়েকদিন তা নজরে রাখবে প্রশাসন । তারপর যদি মাস্ক না পড়ে তাহলে কঠোর ব্যবস্থা নেবে প্রশাসন । প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকলকে মাস্ক পড়ার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে । স্বাস্থ্য দফতরের জনৈক আধিকারিক জানান রাজ্যে এখন যে করোনার বিস্তৃতি হচ্ছে তা মূলত রাজ্যের আভ্যন্তরীন সংসর্গ থেকে । কেন এই বিস্তৃতি হচ্ছে ? তা যাচাই করতে হবে এবং এই ভ্যারিয়েন্ট কি প্রকৃতির তা পরীক্ষা করে দেখা হবে জিনোম সিকোয়েন্সের মাধ্যমে । আগরতলা সরকারি ম্যাডিক্যাল হাসপাতালে সম্প্রতি এই জিনোম সিকোয়েন্স আনা হয়েছে । রাজ্যেই কোভিডের পরীক্ষা সম্ভব।
এদিকে রাজ্যে কোভিড সংক্রমণের আরও বিস্তৃতি ঘটেছে । স্বাস্থ্য দপ্তরের কোভিড বুলেটিনে আজ জানানো হয়েছে গত ২৪ ঘন্টায় রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭৬ জনে। এর মধ্যে পশ্চিম জেলায় ১০৭ জন, সিপাহীজলা জেলায় ৩২ জন, গোমতী জেলায় ১৭, ধলাই ১ জন, উত্তর ত্রিপুরায় ৩ জন এবং দক্ষিণ ত্রিপুরায় ৯ এবং ঊনকোটি জেলায় ৭ জনের দেহে করোনা সংক্রমণ পাওয়া গেছে।
এদিকে চতুর্দশ দেবতার মন্দিরে খার্চি উৎসব উপলক্ষে বুধবার এলাকার দোকানদার ও পূর্নার্থীদের মধ্যে পাঁচ হাজার মাস্ক বিতরণ করা হয় তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে। উপস্থিত ছিলেন যুব তৃণমূল সভাপতি বাপ্টু চক্রবর্তি, দলের শীর্ষ নেতা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় ও অমিত কুমার সাহা সহ অন্যান্যরা ।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন