আগরতলা, ৩১ আগস্ট : আগে মজলিশপুর, রানীরবাজার এই জায়গার নাম শুনলেই মনে হতো একটা আতঙ্কের জায়গা। এখন রাজ্যে নতুন সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর সেখানে সারম্বরে আয়োজিত হচ্ছে গণেশ পূজা এবং জাঁকজমকপূর্ণ মেলা । যা আগে কখনো কল্পনাও করা যেত না। আজ সন্ধ্যায় রানীরবাজার মোটরষ্ট্যান্ড স্থিত বিনায়ক সামাজিক সংস্থা দ্বারা আয়োজিত ৩০ ফুট উচ্চতা বিশিষ্ট ভগবান গণেশের মূর্তির আভরণ উন্মোচন করে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এ কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা। তিনি বলেন,২০১৮ সালে রাজ্যে নতুন সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর যেভাবে গণেশ চতুর্থী উপলক্ষে ভগবান গণেশের আরাধনা বৃদ্ধি পেয়েছে, তাতে মনে হচ্ছে এই রাজ্যে নতুন ভাবে ভগবান গণেশ আবির্ভূত হয়েছেন। মানুষের মধ্যে দেশীয় কৃষ্টি সংস্কৃতির বিস্তারিত করার ভাবনা থেকেই এটা সম্ভব হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এলাকার বিধায়ক তথা তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী বলেন, ২০১৮ সালে রাজ্যে নতুন সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে রানীরবাজারে জাঁকজমকপূর্ণভাবে গণেশ চতুর্থী উৎসব পালন শুরু হয় । যা এবছর পঞ্চম বর্ষে পদার্পণ করেছে। তিনি গণেশ চতুর্থী উপলক্ষে এখানে দশ দিনব্যাপী চলা আনন্দমেলার সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।
এদিনের অনুষ্ঠানে ত্রিপুরা মধ্যশিক্ষা পর্ষদ পরিচালিত এ বছরের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় রানীরবাজার এলাকার কৃতি ছাত্র-ছাত্রীদের সম্বর্ধনা প্রদান করা হয়। এরা প্রত্যেকেই বোর্ডের পরীক্ষায় প্রথম দশে স্থানাধিকারী। একই সাথে গভঃ আর্ট কলেজের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র সুবল পালকেও সংবর্ধনা জানানো হয়। উল্লেখ্য ৩০ ফুট উচ্চতা বিশিষ্ট গণেশ মূর্তিটি তাঁর হাতেই নির্মিত হয়।
এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রানীরবাজার পুর পরিষদের চেয়ারপারসন অপণা শুক্ল দাস, ভাইস চেয়ারম্যান প্রবীর কুমার দাস, জিরানীয়া নগর পঞ্চায়েতের চেয়ারম্যান রতন কুমার দাস, মহকুমা শাসক জীবন কৃষ্ণ আচার্য সহ এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিবগ। পূজাকে ঘিরে দশনার্থীদের উপস্থিতি ছিল লক্ষনীয়।




কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন