আগরতলা, ৩ মার্চ : পশ্চিম এশিয়া অঞ্চলে সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানী তেলের সংকট হতে পারে এই আশঙ্কায় গত দু-একদিন ধরে রাজ্যের পেট্রোল পাম্পগুলিতে দ্বি-চক্রযান ও অন্যান্য গাড়ির চালকদের মধ্যে জ্বালানী তেল সংগ্রহের জন্য অস্বাভাবিক ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
এই পরিপ্রেক্ষিতে খাদ্য, জনসংভরণ ও ক্রেতাস্বার্থ বিষয়ক দপ্তরের পক্ষ থেকে রাজ্যের জনগণের অবগতির জন্য জানানো হয়েছে যে, রাজ্যে বর্তমানে পর্যাপ্ত পরিমাণ পেট্রোল, ডিজেল এবং রান্নার গ্যাস মজুত রয়েছে। তাছাড়া, দেশের প্রধান অয়েল মার্কেটিং কোম্পানীর থেকে প্রাপ্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, আপাতত আমাদের দেশে পর্যাপ্ত পরিমাণে তেল মজুত রয়েছে। তাই জ্বালানী তেল ও রান্নার গ্যাস-এর সংকট নিয়ে চিন্তার কোনও কারণ নেই।
পাশাপাশি রাজ্যে খাদ্য ও অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রীও যথেষ্ট পরিমাণে মজুত রয়েছে। তাই জ্বালানী তেল সহ অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রীর সংকট নিয়ে জনসাধারণকে অযথা আতঙ্কিত না হতে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে বিশেষভাবে অনুরোধ করা হচ্ছে।
এদিকে মহাকরণে বর্তমান জনসংকরণ ও ক্রেতা সার্থক বিষয়ক দপ্তরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের নিয়ে পরিস্থিতির সম্পর্কে পর্যালোচনা করেন খাদ্যমন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী । এই বৈঠক সম্পর্কে তিনি সামাজিক মাধ্যমে জানান, সারা রাজ্যে পেট্রোল-ডিজেল, এলপিজি সিলিন্ডার, অন্যান্য পেট্রোপণ্য সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর সরবরাহ এবং মূল্য যাতে স্বাভাবিক থাকে এবং অত্যাবশকীয় সামগ্রীর কালবাজারী প্রতিরোধে রাজ্যের খাদ্য, জনসংভরণ ও ক্রেতাস্বার্থ বিষয়ক দপ্তর সচেষ্ট রয়েছে।
তিনি আরও জানান, বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর মূল্য কোনওভাবেই যাতে স্বাভাবিকের চেয়ে বৃদ্ধি না পায় এই বিষয়গুলো সামনে রেখে এবং রাজ্যে পেট্রোল-ডিজেল সহ নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রীর কৃত্রিম সঙ্কট সৃষ্টি করে কালোবাজারীর মাধ্যমে যাতে জিনিসের দাম না বাড়ে তার আগাম প্রস্তুতি হিসেবে আজ সচিবালয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে পৌরহিত্য করে উপস্থিত আধিকারিক সহ সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও নির্দেশ প্রদান করি।


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন