আগরতলা, ১৯ জুন : ত্রিপুরার স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা শিক্ষাক্ষেত্রে এক গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। ভারত সরকারের আয়ুষ মন্ত্রকের অধীন ন্যাশনাল কমিশন ফর ইন্ডিয়ান সিস্টেম অফ মেডিসিন (NCISM) উদয়পুরের তেপানিয়ায় “ত্রিপুরা গভর্নমেন্ট আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতাল” স্থাপনের জন্য রাজ্য সরকারের আবেদন গ্রহণ করেছে।
সরকারি সূত্রে জানা যায়, ২০২৬–২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে এই কলেজে ৬০টি আসন নিয়ে স্নাতক স্তরের (BAMS) পাঠক্রম চালু করার প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে। যদিও MESAR UG Regulations, 2024 অনুযায়ী পূর্বে ৬০ আসনের অনুমোদনের বিধান ছিল না, পরবর্তীতে কমিশনের বৈঠকে বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করে নতুন আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজ স্থাপনের ক্ষেত্রে ৬০ আসনের আবেদন গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এই প্রেক্ষিতে ত্রিপুরা সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তরের পক্ষ থেকে জমা দেওয়া আবেদনটি আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করা হয়েছে এবং প্রযোজ্য নিয়ম ও বিধান অনুযায়ী পরবর্তী প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী ডা. মানিক সাহা বলেন, এই সাফল্য ত্রিপুরার জন্য এক গর্বের মুহূর্ত। এর মাধ্যমে রাজ্যে আয়ুর্বেদিক শিক্ষা সম্প্রসারিত হবে, প্রথাগত চিকিৎসা পদ্ধতির বিকাশ ঘটবে এবং রাজ্যের ছাত্রছাত্রীদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য পরিষেবাও আরও উন্নত হবে।
তিনি আরও বলেন, এই গুরুত্বপূর্ণ সাফল্যের জন্য প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর দূরদর্শী নেতৃত্ব এবং নিরন্তর সহযোগিতার জন্য তিনি কৃতজ্ঞ। দেশের স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা শিক্ষার উন্নয়নে কেন্দ্র সরকারের উদ্যোগের ফলেই এই ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়ন সম্ভব হচ্ছে।
উল্লেখ্য, নতুন এই মেডিকেল কলেজটি চালু হলে ত্রিপুরায় চিকিৎসা শিক্ষার পরিকাঠামো আরও শক্তিশালী হবে এবং আয়ুর্বেদের মতো প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতির প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন