Art and Culture : বিদ্যালয়স্তরের রাজ্যভিত্তিক নাটক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী - ব্রহ্মকুন্ড বার্তা Brahamakundabartaa

ব্রহ্মকুন্ড বার্তা  Brahamakundabartaa

দেশ-বিদেশ ও ত্রিপুরার সব খবরের আপডেট

Post Top Ad

Translate

Art and Culture : বিদ্যালয়স্তরের রাজ্যভিত্তিক নাটক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী

Share This

 


আগরতলা, ২২ আগস্ট : যুব সমাজের মধ্যে নেশা, এইডস, সামাজিক কুসংস্কার, বাল্যবিবাহ কিংবা সামাজিক অবক্ষয়, গার্হস্থ্য হিংসার মতো সামাজিক সমস্যাগুলির বিরুদ্ধে সচেতনতা গড়ে তুলতে নাটক এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। তাই নাট্যচর্চাকে আরও অধিক পরিমাণে ছড়িয়ে দিতে হবে। আজ তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের উদ্যোগে আয়োজিত বিদ্যালয়স্তরের রাজ্যভিত্তিক নাটক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে একথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা। ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি টাউনহলে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।


এই প্রতিযোগিতায় রাজ্যের ৮টি জেলা থেকে মোট ৮টি দল অংশগ্রহণ করে। এরমধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করে উত্তর ত্রিপুরা জেলার গোল্ডেন ভ্যালি দ্বাদশ শ্রেণি বিদ্যালয়। তাছাড়া দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকার করে যথাক্রমে পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার ক্ষুদিরাম বসু ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল ও ঊনকোটি জেলার শিশুনিকেতন হাই স্কুল। মুখ্যমন্ত্রী সহ অন্যান্য অতিথিগণ বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। তাছাড়াও অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী জেলাভিত্তিক প্রত্যেকটি দল থেকে একজন করে ছাত্র ও ছাত্রীকে সেরা অভিনেতা ও অভিনেত্রীর পুরস্কার দেওয়া হয়।


অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, রাজ্যে পড়াশুনা, খেলাধুলা এবং সংস্কৃতি চর্চা কোনও ক্ষেত্রেই প্রতিভার অভাব নেই। সঠিক পরিবেশ এবং উপযুক্ত সুযোগ পেলে প্রতিভার অবশ্যই বিকাশ ঘটে। তিনি বলেন, যারা আজকে এই প্রতিযোগিতায় পুরস্কার অর্জন করতে পারেনি তাদের নিজের খামতিগুলি খুঁজে বের করে আগামীদিনে আরও শক্তিশালীভাবে এগিয়ে আসতে হবে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, নাটক করার ফলে নিজেদের মনোযোগ যেমন বৃদ্ধি পায় তেমনি আত্মবিশ্বাস বাড়ে, জড়তা কাটিয়ে উঠা সম্ভব হয় এবং আগামীদিনে সাফল্য পাওয়ার জন্য একাগ্রতাও বৃদ্ধি পায়। 


মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ভারত স্বাধীন হওয়ার আগে সাধারণ মানুষের মধ্যে সামাজিক দুর্দশা, বৈষম্যের বিরুদ্ধে এবং দেশাত্মবোধের ভাবনা জাগিয়ে তুলতে নাটক এক অনন্য ভূমিকা পালন করেছিল। যে সকল অভিভাবকগণ তাদের ছেলেমেয়েদের নাটক করার জন্য উদ্বুদ্ধ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী তাদের প্রতি ধন্যবাদ জানিয়ে ভবিষ্যতেও যাতে ছেলেমেয়েরা নাটকের সঙ্গে যুক্ত থাকে তার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের মাধ্যমে রাজ্যের হারিয়ে যাওয়া পুতুল নাচ, যাত্রা, নাটক প্রভৃতির বিকাশে কাজ করা হচ্ছে। মিশ্র সংস্কৃতিতে ভরপুর এই রাজ্যের সকল জাতি, জনজাতির সংস্কৃতির বিকাশে রাজ্য সরকার সচেষ্ট রয়েছে। ইতিমধ্যেই বিদ্যালয়স্তরের নাটক প্রতিযোগিতাকে তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর আয়োজিত বিভিন্ন অনুষ্ঠানের সরকারি ক্যালেন্ডারেও স্থান দেওয়া হয়েছে।


অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আগরতলা পুরনিগমের মেয়র তথা বিধায়ক দীপক মজুমদার, বিধায়ক মিনারাণী সরকার, তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের সচিব কিরণ গিত্তে, বিশিষ্ট নাট্য ব্যক্তিত্ব হারাধন দত্ত। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের অধিকর্তা বিম্বিসার ভট্টাচার্য। অনুষ্ঠানে নাটক নিয়ে একটি স্বল্পদৈর্ঘ্যের তথ্যচিত্রও প্রদর্শিত হয়।






Electricity Bill's : রাজ্যে বিদ্যুৎ বিলে ১০০% ভর্তুকির ঘোষণা, মে মাস থেকেই কার্যকর- অতিরিক্ত টাকা তিন মাসে সমন্বয় হবে

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Post Bottom Ad