আগরতলা, ২১ জুলাই : ক্রমবর্ধমান কোভিড রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্যে লাগু করা হলো করোনা নিয়ন্ত্রণে বেশ কিছু বিধি-নিষেধ। সরকারের পক্ষ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, " ত্রিপুরার মুখ্য সচিবের সভাপতিত্বে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (টিডিএমএ) দ্বারা পরিস্থিতি কোভিড পরিস্থিতি বিশদভাবে পর্যালোচনা করা হয়েছে এবং এটি লক্ষ্য করা গেছে যে ক্রমবর্ধমান কোভিড পজিটিভ রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই কোভিড - ১৯ এর বিস্তার নিয়ন্ত্রণের জন্য বারতি ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। এই কারনে কোভিড - ১৯ -এর বিস্তার রোধ করার জন্য কিছু নির্দেশিকা জারি করা প্রয়োজন বলে মনে করা হচ্ছে।
তাই কোভিড বিস্তার রোধে সরকার কিছু বিধি-নিষেধ মেনে চলার উপর গুরুত্ব আরোপ করেছে ।
১. জনসাধারণকে বাড়ির বা কর্মক্ষেত্রের বাইরে অপ্রয়োজনীয় চলাচল এড়িয়ে চলতে হবে।
২. মেলা, প্রদর্শনী, সমাবেশ, জনসভা ইত্যাদি এড়ানো ।
৩. দোকান মালিকদের গ্রাহকদের মধ্যে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করা, গ্রাহকদের মধ্যে মাস্ক পরা। সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে বাজার কমিটিগুলোকে স্বেচ্ছাসেবকদের মোতায়েন করা।
৪. পাবলিক প্লেস, জনাকীর্ণ এলাকায়, মার্কেটে, সমস্ত কাজের জায়গায় এবং অফিসে এবং ভ্রমণের সময় মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক।
৫. টক-শো, মাইকিং, প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক এবং সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে মুখোশ/ফেস কভার পরা এবং কোভিড আচরণ বিধি বজায় রাখার জন্য ব্যাপক প্রচার চালানো।
৬. মাস্ক ব্যবহার না করা বা কোভিড উপযুক্ত আচরণ বিধিনা মানার জন্য জরিমানা আরোপ করা ।
বৃহস্পতিবার রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৮২ জনে। এর মধ্যে পশ্চিম জেলায় ১২৮ জন, সিপাহীজলা জেলায় ৪১ জন, খোয়াই জেলায় ১২ জন, গোমতী জেলায় ৪১ জন, ধলাই ৩৭ জন, উত্তর ত্রিপুরায় ৩০ জন, দক্ষিণ ত্রিপুরায় ৬৬ এবং ঊনকোটি জেলায় ২৭ জনের দেহে করোনা সংক্রমণ পাওয়া গেছে। রাজ্যে এখনও পর্যন্ত করোনার টিকা দেওয়া হয়েছে ৫৫ লক্ষ ৫৯ হাজার ৭৮৭ টি। প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে ২৮ লক্ষ ৯৮ হাজার ৫৭২ টি। দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়েছে ২৪ লক্ষ ৭৫ হাজার ৪৩৪ টি। বুস্টার ডোজ দেওয়া হয়েছে ১ লক্ষ ৮৫ হাজার ৭৮১ টি। রাজ্যে বর্তমানে করোনার ভ্যাকসিন রয়েছে ১লক্ষ ১৭ হাজার ১৫০ টি ।


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন