Health Care : জিবিপি হাসপাতালের ট্রমা সেন্টারের তৎপরতায় প্রাণে বাঁচলেন রোগী, মাত্র ১৫ মিনিটে অক্সিজেন লেভেল ফিরল ১০০ শতাংশে - ব্রহ্মকুন্ড বার্তা Brahamakundabartaa

ব্রহ্মকুন্ড বার্তা  Brahamakundabartaa

দেশ-বিদেশ ও ত্রিপুরার সব খবরের আপডেট

Post Top Ad

Translate

Health Care : জিবিপি হাসপাতালের ট্রমা সেন্টারের তৎপরতায় প্রাণে বাঁচলেন রোগী, মাত্র ১৫ মিনিটে অক্সিজেন লেভেল ফিরল ১০০ শতাংশে

Share This


 আগরতলা, ২৫ জুন : আগরতলা গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ (এজিএমসি) ও জিবিপি হাসপাতালের ট্রমা সেন্টারের দ্রুত ও দক্ষ চিকিৎসা পরিষেবার ফলে এক সংকটাপন্ন রোগী নতুন জীবন ফিরে পেলেন। চিকিৎসকদের সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত, আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরলস প্রচেষ্টায় মাত্র চার দিনের মধ্যেই সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন ৫০ বছর বয়সী রাজেশ লস্কর।


জানা গেছে, আগরতলার মঠ চৌমুহনী এলাকার কামারপুকুর পাড়ের বাসিন্দা রাজেশ লস্কর গত ১৬ জুন সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা নাগাদ বনমালিপুরের রামঠাকুর আশ্রমের সামনে হঠাৎ গুরুতর শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হন। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে দ্রুত আইজিএম হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তাঁর শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি ঘটলে চিকিৎসকরা অবিলম্বে জিবিপি হাসপাতালের ট্রমা সেন্টারে রেফার করেন।


ট্রমা সেন্টারে ভর্তি হওয়ার পর চিকিৎসকদের একটি বিশেষ দল রোগীর চিকিৎসায় ঝাঁপিয়ে পড়েন। নিবিড় পর্যবেক্ষণের মধ্যে এক সময় রাজেশবাবুর অক্সিজেনের মাত্রা ২০ শতাংশেরও নিচে নেমে যায়। পরিস্থিতি অত্যন্ত সংকটজনক হয়ে উঠলে চিকিৎসকরা দ্রুত এডভান্সড এয়ারওয়ে ম্যানেজমেন্ট এবং ইনটিউবেশন পদ্ধতির মাধ্যমে জরুরি চিকিৎসা শুরু করেন। চিকিৎসকদের দক্ষ হস্তক্ষেপে মাত্র ১৫ মিনিটের মধ্যেই রোগীর অক্সিজেনের মাত্রা বেড়ে ১০০ শতাংশে পৌঁছে যায় এবং ধীরে ধীরে তাঁর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হতে থাকে।


রোগীর জীবন বাঁচাতে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা দিন-রাত এক করে কাজ করেন। তাঁদের এই মানবিক ও পেশাদার প্রচেষ্টায় আবেগাপ্লুত হয়ে রোগীর স্ত্রী বলেন, “ডাক্তারবাবুরা আমাদের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করেছেন। তাঁরা ভগবানের মতো পাশে দাঁড়িয়েছিলেন বলেই আজ আমার স্বামী নতুন জীবন ফিরে পেয়েছেন।”


ট্রমা সেন্টারের ইনচার্জ ডাঃ পুলক সাহার তত্ত্বাবধানে গঠিত চিকিৎসক দলের সদস্য ছিলেন ডাঃ সমরজিৎ ভট্টাচার্য, ডাঃ বিনয় চাকমা এবং ডাঃ আকাশ ত্রিপুরা। তাঁদের সমন্বিত প্রচেষ্টা এবং আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থার ফলে মাত্র চার দিনের মধ্যেই রোগী সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠেন। পরবর্তীতে গত ২০ জুন তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছুটি দেওয়া হয়।


উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, আয়ুষ্মান কার্ডের মাধ্যমে রোগী সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এই উন্নত চিকিৎসা পরিষেবা লাভ করেন। এতে রোগীর পরিবার অত্যন্ত সন্তোষ প্রকাশ করেছে এবং রাজ্যের স্বাস্থ্য দপ্তর, স্বাস্থ্য পরিষেবা ও জিবিপি হাসপাতালের চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে।


এই ঘটনা আবারও প্রমাণ করল যে, আধুনিক চিকিৎসা পরিকাঠামো, দক্ষ চিকিৎসক এবং দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের সমন্বয়ে জিবিপি হাসপাতালের ট্রমা সেন্টার আজ রাজ্যের স্বাস্থ্যসেবার এক গুরুত্বপূর্ণ আস্থার কেন্দ্র হয়ে উঠেছে।




Administrative Activity : মুখ্যমন্ত্রী সমীপেষু কর্মসূচিতে অব্যাহত, মানবিক প্রশাসনের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Post Bottom Ad