Health Care : অরুন্ধতিনগরে নবনির্মিত পলিক্লিনিক এবং ৫টি আরবান আরোগ্য মন্দিরের উদ্বোধনে মুখ্যমন্ত্রী - ব্রহ্মকুন্ড বার্তা Brahamakundabartaa

ব্রহ্মকুন্ড বার্তা  Brahamakundabartaa

দেশ-বিদেশ ও ত্রিপুরার সব খবরের আপডেট

Post Top Ad

Translate

Health Care : অরুন্ধতিনগরে নবনির্মিত পলিক্লিনিক এবং ৫টি আরবান আরোগ্য মন্দিরের উদ্বোধনে মুখ্যমন্ত্রী

Share This

 


আগরতলা, ২৪ সেপ্টেম্বর : রাবাসীর কাছে দ্রুত ন্যূনতম চিকিৎসা পরিষেবা পৌঁছে দিতে রাজ্য সরকার সারা রাজ্যেই আরোগ্য মন্দির গড়ে তুলছে। ইতিমধ্যেই সারা রাজ্যে ১১১০টি আরোগ্য মন্দির গড়ে তোলা হয়েছে। এর পাশাপাশি বিভিন্ন জেলা হাসপাতাল এবং রেফারেল হাসপাতালগুলিতে উন্নত চিকিৎসা পরিকাঠামো গড়ে তোলা হচ্ছে। আজ অরুন্ধতিনগরে নবনির্মিত পলিক্লিনিক এবং ভার্চুয়ালি আরও ৫টি আরবান আরোগ্য মন্দিরের উদ্বোধন করে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা একথা বলেন। মুখ্যমন্ত্রী ভার্চুয়ালি রাধানগর, জগহরিমুড়া, উজান অভয়নগর, ধলেশ্বর এবং রামকৃষ্ণ শিবালয় আশ্রমের আরবান আরোগ্য মন্দিরের উদ্বোধন করেন। এডিনগরে ১২ কক্ষবিশিষ্ট আরবান পলিক্লিনিক নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ২ কোটি ১০ লক্ষ টাকা। উদ্বোধনের পর মুখ্যমন্ত্রী পলিক্লিনিকটি ঘুরে দেখেন।


অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্য সরকার স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর উন্নয়নে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছে। বিভিন্ন হাসপাতালে পরিকাঠামোর ব্যাপক উন্নতি হয়েছে। এর ফলে রাজ্য থেকে বহিরাজ্যে রোগীদের রেফারের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে অনেক কমেছে। ২০২৩ সালে যেখানে রেফারেল রোগীর সংখ্যা ছিল ৫৫৫ জন তার তুলনায় ২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত রেফার করা রোগীর সংখ্যা ১৬১ জন। রাজ্য সরকার চেষ্টা করছে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজ্যের রোগীদের যেন বহিরাজ্যে যেতে না হয়। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্যের পার্বত্য এলাকায় গড়ে তোলা সেটেলাইট হেলথ সেন্টারগুলি দূরবর্তী অঞ্চলের স্বাস্থ্য পরিষেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে। রাজ্যের গ্রামীণ হাসপাতালগুলিতে চিকিৎসা পরিষেবায় চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মীদের পাশাপাশি আশাকর্মীগণ উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করছে।


 মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্যেই উন্নত চিকিৎসার জন্য টেলিমেডিসিন ব্যবস্থা কার্যকর ভূমিকা নিয়েছে। এই ব্যবস্থা আরও উন্নত করতে জিবিপি হাসপাতালে একটি অত্যাধুনিক স্টুডিও তৈরী করা হবে। টেলিমেডিসিন ব্যবস্থার পাশাপাশি ই-সঞ্জিবনী ব্যবস্থাও কার্যকর ভূমিকা নিচ্ছে।


মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আগে রাজ্যের প্রধান রেফারেল হাসপাতাল জিবিপি হাসপাতালে শয্যা সংখ্যা ছিল ৭২৭টি। গত কয়েক বছরে শয্যা সংখ্যা বাড়িয়ে ১৪০০টি করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন উন্নয়ন পরিকল্পনাকে বাস্তবে রূপ দিতে হলে স্বপ্ন দেখতে হবে। স্বপ্নকে বাস্তবে পরিণত করতে হলে মানুষের কল্যাণে কাজ করতে হবে। রাজ্য সরকার প্রধানমন্ত্রীর প্রদর্শিত পথে কাজ করে চলেছে। রাজ্যে চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা আরও উন্নত করতে ইন্টিগ্রেটেড হেলথ মেডিক্যাল সিস্টেম বা আইএইচএমএস গড়ে তোলা হয়েছে। প্রসঙ্গক্রমে তিনি বলেন, রাজ্যের পর্যটন পরিকাঠামো এবং স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর আরও উন্নতি করে রাজ্যকে ট্যুরিজম হেলথ হাব হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। রাজ্যের প্রধান রেফারেল হাসপাতাল জিবিপি-তে আরও ৪টি সুপার স্পেশালিটি ব্লক গড়ে তোলা হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন এডিনগর পলিক্লিনিক এবং নতুন আরোগ্য মন্দিরগুলি এলাকাবাসীর চিকিৎসায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।


অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি সাংসদ রাজীব ভট্টাচার্য বলেন, রাজ্যবাসীর চিকিৎসা পরিষেবায় রাজ্য সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা রূপায়ণ করছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন আরোগ্য মন্দিরগুলিতে স্থানীয় মানুষ আরও ভাল চিকিৎসা পরিষেবা পাবেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আগরতলা পুরনিগমের মেয়র তথা বিধায়ক দীপক মজুমদার, সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের রাজ্য অধিকর্তা সাজুবাহিদ এ, পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার জেলাশাসক ডা. বিশাল কুমার, স্বাস্থ্য দপ্তরের অধিকর্তা ডা. দেবাশ্রী দেববর্মা প্রমুখ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডা. শঙ্কর চক্রবর্তী। সবাইকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন বিধায়ক মিনারাণী সরকার।





Electricity : শারদীয় উৎসব উপলক্ষে অস্থায়ী বিদ্যুৎ সংযোগে টিএসইসিএলের বিশেষ নির্দেশিকা

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Post Bottom Ad