SP Traffic : দুর্গাপূজায় আগরতলা শহরে ১৭-২০ অক্টোবর বিকাল ৫টা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত নো এন্ট্রি - ব্রহ্মকুন্ড বার্তা Brahamakundabartaa

ব্রহ্মকুন্ড বার্তা  Brahamakundabartaa

দেশ-বিদেশ ও ত্রিপুরার সব খবরের আপডেট

Post Top Ad

Translate

SP Traffic : দুর্গাপূজায় আগরতলা শহরে ১৭-২০ অক্টোবর বিকাল ৫টা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত নো এন্ট্রি

Share This

 


আগরতলা, ২৫ সেপ্টেম্বর : আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগরতলা শহরে যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ এবং জন সাধারণের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে ট্রাফিক দপ্তরের পক্ষ থেকে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। আগামী ১৭ অক্টোবর থেকে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত দুর্গাপূজার সময় বিকেল ৫টা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত নো এন্ট্রি ব্যবস্থা কার্যকর থাকবে। শহরের বিভিন্ন এলাকায় যানবাহন চলাচলে নিয়ন্ত্রণ আনতে এই নো এন্ট্রি ব্যবস্থা কার্যকর করা হবে। প্রয়োজন ও পরিস্থিতি বিবেচনা করে নো এন্ট্রির সময়সীমা পরিবর্তন করা হতে পারে। আজ অরুন্ধতিনগরস্থিত এসপি ট্রাফিক-এর কার্যালয়ে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে একথা জানান এসপি ট্রাফিক কান্তা জাঙ্গির।


সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি জানান, যাত্রীবাহী বাস ও বড় যানবাহনের জন্য নির্দিষ্ট ড্রপ গেট ও টার্মিনাল পয়েন্ট নির্ধারণ করা হয়েছে। একইভাবে ট্রাক ও ভারী পণ্যবাহী যানবাহনের জন্য আগরতলার বাইপাস এলাকায় পৃথক টার্মিনাল পয়েন্ট রাখা হয়েছে। যাত্রীবাহী বাস ও বড় যানবাহনের নির্ধারিত পয়েন্টগুলির মধ্যে রয়েছে পণ্ডিত নেহেরু অফিস কমপ্লেক্স, এ.কে. রোডের ট্রেনিং ক্লাব ক্রসিং, নাগেরজলা বাস টার্মিনাল, এ.ডি.নগর, প্রতাপগড় বেইলি ব্রিজ এলাকা, চন্দ্রমোহন সেতু এলাকা, রামঠাকুর বয়েজ স্কুল ব্রিজ এলাকা, গান্ধী স্কুল, এম.বি.বি. কলেজ এলাকা, চন্দ্রপুর মসজিদ সংলগ্ন এলাকা, জি.বি.পি. ক্যান্সার হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকা এবং ইন্দ্রনগর ব্রিজের উত্তর দিক। ট্রাক ও ভারী যানবাহনের জন্য আমতলী বাইপাস, খয়েরপুর বাইপাস, মাধববাড়ি, লিচুবাগান এবং বর্ডার গোলচক্কর এলাকায় টার্মিনাল পয়েন্ট নির্ধারণ করা হয়েছে। জরুরি পরিষেবা, পুলিশ, প্রশাসন, টিএসআর, ফায়ার সার্ভিস, এসআইবি, সংবাদমাধ্যম, ওষুধের দোকানের কর্মী, পূজা কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি এবং জরুরি কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিদের জন্য বিশেষ যানবাহন পাসের ব্যবস্থা থাকবে। ডিআইটি-এর সহযোগিতায় পাস ব্যবস্থাপনার জন্য বিশেষ ওয়েবপেজও তৈরি করা হচ্ছে। অনুমোদিত পাস গাড়ির উইন্ডশিল্ডের বাঁ দিকে দৃশ্যমানভাবে প্রদর্শন করতে হবে। পাস জাল করা বা অন্যের কাছে হস্তান্তর করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এছাড়া বৈধ পরিচয়পত্র ও প্রয়োজনীয় ইউনিফর্ম সহ সুইগি ও জোমাটো কর্মী এবং বিমানযাত্রী ও বিমান সংস্থার কর্মীদের নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে নো-এন্ট্রি এলাকায় চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে। তিনি জানান, পূজার সময় শহরের বিভিন্ন প্রবেশপথ ও গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েনের পাশাপাশি সিসিটিভি ক্যামেরা ও ড্রপ গেট স্থাপন করা হবে। জরুরি পরিষেবা, বিমানবন্দর ও রেলওয়ে যাত্রীদের চলাচলের জন্য প্রয়োজনীয় বিশেষ রুট নির্ধারণ করা হবে। এ বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ ট্রাফিক পরামর্শ পরবর্তী সময়ে প্রকাশ করা হবে।


ট্রাফিক চালান পরিশোধের বিষয়ে নতুন ব্যবস্থা সম্পর্কে এসপি ট্রাফিক বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি জানান, ২৬ এপ্রিলের আগে ইস্যু হওয়া চালান ই-চালান পোর্টালে তথ্য যাচাই করে অনলাইনে পরিশোধ করা যাবে। ভার্চুয়াল কোর্টে পাঠানো চালান সংশ্লিষ্ট পোর্টালের মাধ্যমে নিষ্পত্তি অথবা আইন অনুযায়ী কনটেস্ট করা যাবে। আদালতে পাঠানো চালান আদালতের নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী নিষ্পত্তি করতে হবে।


২৬ এপ্রিলের পর ইস্যু হওয়া চালান বর্তমানে আদালতে পাঠানো হচ্ছে না। NextGen e-Challan ব্যবস্থা চালু না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক ইউনিটে গিয়ে অথবা অনলাইনে চালান পরিশোধ করা যাবে। বর্তমানে ট্রাফিক আইন ভাঙ্গার জরিমানা সম্পূর্ণ ক্যাশলেস পদ্ধতিতে গ্রহণ করা হচ্ছে। তাই কোনো তৃতীয় পক্ষের অ্যাপ ব্যবহার না করে শুধুমাত্র সরকারি পোর্টালের মাধ্যমে জরিমানা পরিশোধ করার জন্য সাধারণ মানুষকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। জনসাধারণকে পূজার সময় ট্রাফিক পুলিশের নির্দেশিকা মেনে চলার এবং যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে কর্তব্যরত পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট কর্মীদের সহযোগিতা করার জন্য তিনি অনুরোধ জানিয়েছেন।






Health Care : অরুন্ধতিনগরে নবনির্মিত পলিক্লিনিক এবং ৫টি আরবান আরোগ্য মন্দিরের উদ্বোধনে মুখ্যমন্ত্রী

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Post Bottom Ad