![]() |
| জনপ্রিয় অসমীয়া সঙ্গীতশিল্পী জুবিন গর্গ আর নেই। সিঙ্গাপুরে স্কুবা ডাইভিং করতে গিয়ে ঘটে যায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। |
আগরতলা, ১৯ সেপ্টেম্বর : উত্তর-পূর্ব ভারতের সংগীত জগতে নেমে এল শোকের ছায়া। জনপ্রিয় অসমীয়া সঙ্গীতশিল্পী জুবিন গর্গ আর নেই। সিঙ্গাপুরে স্কুবা ডাইভিং করতে গিয়ে ঘটে যায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। সূত্রের খবর, সিঙ্গাপুরে নর্থ ইস্ট ফেস্টিভ্যালে অংশ নিতে গিয়েছিলেন জুবিন গর্গ। আজই তার মঞ্চে পারফর্ম করার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই শেষ হয়ে গেল এক কিংবদন্তি শিল্পীর জীবনযাত্রা। বয়স হয়েছিল মাত্র ৫২ বছর।
জুবিন গর্গ শুধু অসমেই নয়, বাংলা ও বলিউডের সংগীতপ্রেমীদের কাছেও ছিলেন অত্যন্ত প্রিয়। হিন্দি ছবির জগতে তাঁর অবদান অসামান্য। বিশেষ করে ‘গ্যাংস্টার’ ছবির “ইয়া আলি” গানটি সারা দেশে তাকে জনপ্রিয়তার শীর্ষে পৌঁছে দিয়েছিল। তার কণ্ঠের আবেগ এবং স্বতন্ত্র ভঙ্গি সংগীতজগতে এক বিশেষ স্থান তৈরি করেছিল।
দুর্ঘটনার পর দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে। নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা চললেও শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচানো যায়নি। খবর ছড়িয়ে পড়তেই উত্তর-পূর্ব ভারতের সাংস্কৃতিক মহলে শোকের ছায়া নেমে আসে। ত্রিপুরায়ও শোকের আবহ। সংগীতপ্রেমীরা জানিয়েছেন, জুবিন গর্গের গান তাদের কৈশোর ও যৌবনের স্মৃতি জড়িয়ে আছে। এক সময় আগরতলার জনপ্রিয় এফ এম রেডিও ওলালা ৯১.৯ এফ এম-এর সিগনেচার টিউনেও তার গান বাজত। ফলে ত্রিপুরার শ্রোতাদের কাছে তিনি ছিলেন ঘরের ছেলে।
ত্রিপুরার সাংস্কৃতিক সংগঠন ও সঙ্গীতশিল্পীরা জুবিনের মৃত্যুকে উত্তর-পূর্ব ভারতের বিশাল ক্ষতি বলে আখ্যা দিয়েছেন। অনেকেই জানিয়েছেন, জুবিন ছিলেন একাধারে গায়ক, সুরকার ও অভিনেতা। তার সঙ্গীতের মাধ্যমে উত্তর-পূর্বের লোকসংস্কৃতি সারা দেশে পৌঁছেছিল।
শিলচর, গৌহাটি, আগরতলা সহ সমগ্র উত্তর-পূর্বে ভক্তদের মধ্যে শোকস্তব্ধ পরিবেশ। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভক্তরা তার গান শেয়ার করে তাকে স্মরণ করছেন। বলিউডের একাধিক গায়ক ও সংগীত পরিচালকও শোকবার্তা জানিয়েছেন। জুবিন গর্গের হঠাৎ মৃত্যু শুধু অসম নয়, সমগ্র উত্তর-পূর্ব ভারত ও দেশের সংগীত জগতে এক বিরাট শূন্যতা তৈরি করল। ত্রিপুরার মানুষ আজ তার গান শুনে শোক জানাচ্ছেন, স্মৃতিচারণ করছেন এক বহুমুখী প্রতিভার।
Crime : কৈলাশহরে ভারসাম্যহীন মহিলা পাশবিক লালসার শিকার, গ্ৰেপ্তার পুরপরিষদের সাফাই কর্মী


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন